“মহারাজগঞ্জ বাজারে মাছ ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুখবর, ফায়ার ব্রিগেডের পুরনো জায়গায় তৈরি হবে নতুন মাছ বিক্রির ঘর”

মাছ ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর। মহারাজগঞ্জ বাজারের পাইকারি মাছ বাজারে ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে আরও কিছু নতুন ঘর দেওয়ার ব্যবস্থা করছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে মাছ ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও পর্যাপ্ত জায়গার অভাবের বিষয়টি বিবেচনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আজ মহারাজগঞ্জ বাজার পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৎকালীন সময়ে ফায়ার ব্রিগেডের জন্য যে জায়গাটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই জায়গাটি পুনরায় মাছ বিক্রেতাদের কাজে ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ওই এলাকায় নতুন করে কনস্ট্রাকশন করে মাছ ব্যবসায়ীদের জন্য ঘর তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এর ফলে মহারাজগঞ্জ বাজারের পাইকারি মাছ ব্যবসায়ীরা আরও বেশি জায়গা পাবেন এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের সুবিধা হবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা পর্যাপ্ত জায়গার সমস্যায় ভুগছিলেন, তাঁদের জন্য এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী বাজার পরিদর্শনের সময় বাজারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেন। বাজারকে আরও সুন্দর ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। বাজার পরিষ্কার রাখা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, ব্যবসায়ীদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মাছ বাজারে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ী ও ক্রেতার সমাগম হয়। ফলে বাজারের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাছ বিক্রির পর বর্জ্য এবং অন্যান্য আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলার পাশাপাশি বাজারের নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রাখার দিকেও ব্যবসায়ীদের নজর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
মহারাজগঞ্জ বাজার পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় মাছ ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। নতুন করে ঘর তৈরি হলে একদিকে যেমন ব্যবসায়ীদের জায়গার সমস্যা কমবে, অন্যদিকে বাজারের পরিকাঠামোও আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মহারাজগঞ্জের পাইকারি মাছ বাজারে ব্যবসায়ীদের জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরি হবে। পাশাপাশি বাজারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখতে ব্যবসায়ী এবং প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
