সত্যের সঙ্গে, সবসময়Thursday, 24 September 2026
ব্রেকিং
এশিয়ান গেমসে ১৫টি পদক জয় ভারতের, তবে এখনও অধরা সোনা◆“গড়জিলা এফেক্ট ” ! ধেয়ে আসছে সুপার এল নিনো , চতুর্থ স্থানে ভারত◆নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে নতুন মামলায় ” না ” কলকাতা হাইকোর্টের◆ঠোঁটের ডিপ গোলাপি বা লাল রং নিয়ে প্রশংসার দাবিদার হচ্ছেন ? অসুখের লক্ষণ না তো !◆রিলেশনশিপ অতীত , বাজারে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে “মেবিলেটারশিপ “◆বঙ্গে দুর্যোগ, দূরত্ব কমিয়ে ক্রমশ এগিয়ে আসছে নিম্নচাপ◆এশিয়ান গেমস- এ রুপো জয় ভারতের মেয়েদের◆পূজোর আগেই ফের গভীর নিম্নচাপ ; দুর্যোগের আশঙ্কা বঙ্গ জুড়ে◆রবিবার সাত সকালে সুখবর দিলেন তারকা দম্পতি মেয়ে নাকি ছেলে ?◆আমেরিকা থেকে নিজের অস্তিত্বের বার্তা অভিষেকের◆এশিয়ান গেমসে ১৫টি পদক জয় ভারতের, তবে এখনও অধরা সোনা◆“গড়জিলা এফেক্ট ” ! ধেয়ে আসছে সুপার এল নিনো , চতুর্থ স্থানে ভারত◆নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে নতুন মামলায় ” না ” কলকাতা হাইকোর্টের◆ঠোঁটের ডিপ গোলাপি বা লাল রং নিয়ে প্রশংসার দাবিদার হচ্ছেন ? অসুখের লক্ষণ না তো !◆রিলেশনশিপ অতীত , বাজারে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে “মেবিলেটারশিপ “◆বঙ্গে দুর্যোগ, দূরত্ব কমিয়ে ক্রমশ এগিয়ে আসছে নিম্নচাপ◆এশিয়ান গেমস- এ রুপো জয় ভারতের মেয়েদের◆পূজোর আগেই ফের গভীর নিম্নচাপ ; দুর্যোগের আশঙ্কা বঙ্গ জুড়ে◆রবিবার সাত সকালে সুখবর দিলেন তারকা দম্পতি মেয়ে নাকি ছেলে ?◆আমেরিকা থেকে নিজের অস্তিত্বের বার্তা অভিষেকের◆
দেশ

“গড়জিলা এফেক্ট ” ! ধেয়ে আসছে সুপার এল নিনো , চতুর্থ স্থানে ভারত

রাতদিন ওয়েব ডেস্ক : শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাব’ গত মঙ্গলবার একটি রিপোর্টে পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী ছ’মাস এর মধ্যে সুপার এল নিনোর গ্রাসে বিশ্ব জুড়ে সাড়ে চার লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারাতে পারেন । ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ এবং খরা, দাবানল, বৃষ্টি , বন্যা প্রভৃতি কারণে মৃত্যু-তালিকায় চতুর্থ শীর্ষ স্থানে ভারতের থাকার সম্ভাবনা ।

ডিসেম্বর থেকে জুলাই পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২৭ সালের মধ্যেও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছেন । তাঁরা এই ভয়ঙ্কর এল নিনোর নাম দিয়েছেন ‘গডজ়িলা এফেক্ট’। ‘ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাব’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী মার্কিন সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান বিবৃতি দিয়েছে , এই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৫১ হাজার মানুষের প্রবল তাপপ্রবাহ জনিত কারণে মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মৃত্যুহার ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আনুমানিক মৃত্যুসূচির শীর্ষে রয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার নাইজ়িরিয়া। সেখানে সুপার এল নিনোর প্রভাবে ৩১,৩২০ জন মারা যেতে পারেন বলে রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়ায় ১৯,২৫১ এবং উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার সুদানে ১৭,৪৩০ জনের মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে।এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে ১৫,৬৭০, দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজ়িলে ১৩,২৭১, মধ্য আফ্রিকার ডিআর কঙ্গোয় ১৩,২৭১, পশ্চিম আফ্রিকার নাইজারে ৯,৯০০ এবং মধ্য আফ্রিকার ৭,৯৫৩ জন সুপার এল নিনোর শিকার হতে পারে।

ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাব’-এর গবেষকদের নেতা, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইকেল গ্রিনস্টোন জানিয়েছেন, সুপার এল নিনোর অভিঘাতে ২০২৭ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্ব জুড়ে স্থলভাগের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে গড়ে প্রায় ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। তাঁর মতে, প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ার এই সুপার এল নিনোর প্রভাব অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে চলেছে। ফলে, উপকূলবর্তী এলাকার বায়ুমণ্ডল অতিরিক্ত উষ্ণ থাকার আশঙ্কা। বিশ্ব উষ্ণায়নে কৃত্রিম প্রভাবের কারণে সুপার এল নিনো আরও বিধ্বংসী রূপ নিতে চলেছে বলে তিনি জানিয়েছেন ।