HORMUJ : হরমুজে ফের উত্তেজনা ! ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সেনা অভিযানের হুশিয়ারি ঘিরে বিতর্ক

রাতদিন ওয়েব ডেস্ক : হরমুজ সমস্যা যেন বর্তমানে আন্তর্জাতিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। আবারও হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান – আমেরিকার অস্বস্তি বেড়েছে । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের হুঁশিয়ারি দেয়। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন নৌবাহিনী নতুন স্ট্রাইক গ্রুপ-সহ ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের ফলে হরমুজ় প্রণালী কার্যত অচল হয়ে গেছে ।পাশাপাশি বাড়তে শুরু করেছে অশোধিত তেলের দাম।
গত শুক্রবার থেকেই ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০২ থেকে ১০৬ ডলার ও মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৯২ থেকে ৯৪ ডলারে পৌঁছেছে । একটি ব্যারেলে প্রায় ১৫৯ লিটার,অর্থাৎ ৪২ মার্কিন গ্যালন তেল থাকে। ভারত নিজেদের প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৯০ শতাংশই আমদানি করে বাইরে থেকে । আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের অন্যতম সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের সাথে ওমান ও দুবাইয়ের অশোধিত তেলের দামও ভারতীয় বাজারে উল্লেখযোগ্য । মূলত এই দুই ধরনের ক্রুডের দামের ভিত্তিতেই ‘ইন্ডিয়ান বাস্কেট’-এর দাম নির্ধারণ করা হয়। সেই ‘ইন্ডিয়ান বাস্কেট’-এর দাম মঙ্গলবার পৌঁছেছে ব্যারেল প্রতি ১১৭.৮ ডলারে। অশোধিত তেলের এই আকাশ ছোঁয়া দামে ভারতের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্টের নেতৃত্বে অনেকগুলো যুদ্ধজাহাজ নিয়ে তৈরি হওয়া ‘স্ট্রাইক গ্রুপ’ গত রবিবার ক্যালিফোর্নিয়া প্রদেশের সান দিয়েগোর ঘাঁটি ত্যাগ করে পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে । এক দিন পর মাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও (এমইইউ) যাত্রা করে , যেখানে দু’হাজারের বেশি মেরিন সেনা আছেন। ওই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর অন্যান্য ইউনিটে আরও ৯ থেকে ১০ হাজার মার্কিন সেনা যুক্ত হতে পারেন বলে দাবি মার্কিন জার্নালের । এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ় প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ না হলেও, উত্তেজনা ছড়িয়েছে ও ইরানের পক্ষ থেকে তেলবাহী কয়েকটি ট্যাঙ্কারে হামলার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে ।
